সামির এলাকায় খুব পরিচিত একজন ছেলে। সে প্রতিদিন এলাকার গৃহস্থ বাড়ি থেকে গরুর দুধ সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করে। এ কাজের মাধ্যমে উপার্জিত আয় দিয়ে তার সংসার চলে। দুধ নিয়ে বাজারে যাওয়ার সময় সে গ্রামের ভালো-মন্দ সকল খবর অন্যদের শুনিয়ে যায়। নিজের কাজের সঙ্গে এ ধরনের খবর পরিবেশন করার মধ্য দিয়ে সামির এক অন্যরকম আনন্দ পায়।
'জবর মাঝি সাচ্চা' হলো চিংড়ি মাছের বাচ্চা।
ছড়াটতে চিংড়ি মাছের বাচ্চাকে নৌকার মাঝি হিসেবে দেখা যায়। সে যখন নদীর জলে নৌকা ভাসায়, তখন দু'চোখ বুজে, হাল ধরে। তাকে দেখলে একজন দক্ষ মাঝি হিসেবেই মনে হয়। দক্ষ মাঝিরা তার মতো করেই হাল ধরে। এভাবেই তারা নৌকা চালনা করে। তাই চিংড়ি মাছের বাচ্চাকে উদ্দেশ্য করে তাকে 'জবর মাঝি সাচ্চা' বলা হয়েছে।
ছাতা মাথায় ব্যাঙ চলেছে
চিঠি বিলি করতে
টাপুস টুপুস ঝরছে দেয়া
ছুটছে খেয়া ধরতে।
খেয়ানায়ের মাঝি হলো
চিংড়ি মাছের বাচ্চা,
দু চোখ বুজে হাল ধরে সে
জবর মাঝি সাচ্চা।
তার চিঠিও এসেছে আজ
লিখছে বিলের খলসে,
সাঁঝের বেলার রোদে নাকি
চোখ গেছে তার ঝলসে।
নদীর ওপার গিয়ে ব্যাঙা
শুধায় সবায়: ভাইরে,
ভেটকি মাছের নাতনি নাকি
গেছে দেশের বাইরে?
তার যে চিঠি এসেছে আজ
লিখছে বিলের কাতলা:
এবার সারা দেশটি জুড়ে
নামবে দারুণ বাদলা।
তাই তো নিলাম ছাতা কিনে
আসুক এবার বর্ষা,
চিংড়ি মাঝির খেয়া না আর
ছাতাই আমার ভরসা।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?