Academy

সামির এলাকায় খুব পরিচিত একজন ছেলে। সে প্রতিদিন এলাকার গৃহস্থ বাড়ি থেকে গরুর দুধ সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করে। এ কাজের মাধ্যমে উপার্জিত আয় দিয়ে তার সংসার চলে। দুধ নিয়ে বাজারে যাওয়ার সময় সে গ্রামের ভালো-মন্দ সকল খবর অন্যদের শুনিয়ে যায়। নিজের কাজের সঙ্গে এ ধরনের খবর পরিবেশন করার মধ্য দিয়ে সামির এক অন্যরকম আনন্দ পায়।

'জবর মাঝি সাচ্চা'- কে? বুঝিয়ে লিখ। (অনুধাবন)

Created: 9 months ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago
Ans :

'জবর মাঝি সাচ্চা' হলো চিংড়ি মাছের বাচ্চা।

ছড়াটতে চিংড়ি মাছের বাচ্চাকে নৌকার মাঝি হিসেবে দেখা যায়। সে যখন নদীর জলে নৌকা ভাসায়, তখন দু'চোখ বুজে, হাল ধরে। তাকে দেখলে একজন দক্ষ মাঝি হিসেবেই মনে হয়। দক্ষ মাঝিরা তার মতো করেই হাল ধরে। এভাবেই তারা নৌকা চালনা করে। তাই চিংড়ি মাছের বাচ্চাকে উদ্দেশ্য করে তাকে 'জবর মাঝি সাচ্চা' বলা হয়েছে।

9 months ago

চিঠি বিলি

চিঠি বিলি

রোকনুজ্জামান খান

ছাতা মাথায় ব্যাঙ চলেছে
চিঠি বিলি করতে
টাপুস টুপুস ঝরছে দেয়া
ছুটছে খেয়া ধরতে।
খেয়ানায়ের মাঝি হলো
চিংড়ি মাছের বাচ্চা,
দু চোখ বুজে হাল ধরে সে
জবর মাঝি সাচ্চা।
তার চিঠিও এসেছে আজ
লিখছে বিলের খলসে,
সাঁঝের বেলার রোদে নাকি
চোখ গেছে তার ঝলসে।
নদীর ওপার গিয়ে ব্যাঙা
শুধায় সবায়: ভাইরে,
ভেটকি মাছের নাতনি নাকি
গেছে দেশের বাইরে?
তার যে চিঠি এসেছে আজ
লিখছে বিলের কাতলা:
এবার সারা দেশটি জুড়ে
নামবে দারুণ বাদলা।
তাই তো নিলাম ছাতা কিনে
আসুক এবার বর্ষা,
চিংড়ি মাঝির খেয়া না আর
ছাতাই আমার ভরসা।

Content added || updated By

Related Question

View More

সাঁঝের বেলার রোদে খলসে মাছের চোখ ঝলসে গেছে।

উদ্দীপকের সামির চরিত্রের সঙ্গে 'চিঠি বিলি' ছড়ায় ব্যাঙের চরিত্রটি সংগতিপূর্ণ।

পৃথিবীতে প্রত্যেকেই কোনো না কোনো কাজের সঙ্গে জড়িত। তবে নির্দিষ্ট কাজের বাইরেও কখনো কখনো কিছু কাজ করতে হয়। আবার কেউ কেউ দ্বেচ্ছায় কিছু কাজ সানন্দে করে থাকে। এতে তারা আনন্দ পায় ।

উদ্দীপকের সামির গরুর দুধ বাজারে বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করে। এই উপার্জিত আয়েই তার সংসার চলে। এলাকার বিভিন্ন গৃহস্থ বাড়ি থেকে দুধ সংগ্রহ করে বাজারে যাওয়ার সময় সে গ্রামের ভালো-মন্দ নানান খবর অন্যদের জানিয়ে যায়। সামির চরিত্রের এই বৈশিষ্ট্য 'চিঠি 'বিলি' কবিতার ব্যাঙের মাঝে খুঁজে পাওয়া যায়। ব্যাঙ চিঠি বিলি করে। চিঠি বিলি করাই তার কাজ। চিঠি বিলি করতে বের হয়ে সে অনেকের খোঁজখবর জানতে পারে। সেসব 'খবর সংগ্রহ করে সে অন্যদের সেগুলো জানায়। ছড়াটিতে চিংড়ি, খলসে, ভেটকি, কাতলা, বর্ষা প্রভৃতির নানান খবর ব্যাঙের মাধ্যমে জানা যায়। সুতরাং এসব দিক বিবেচনায় ব্যাঙের সঙ্গেই উদ্দীপকের সামির চরিত্রটিকে সংগতিপূর্ণ বলে মনে হয়।

"নির্ধারিত কাজের বাইরেও ছোটো ছোটো কাজের মাধ্যমে মানুষ অন্যরকম আনন্দ পেতে ও দিতে পারে"- উদ্দীপক ও 'চিঠি বিলি' ছড়া অবলম্বনে এ উক্তিটি যৌক্তিক।

পৃথিবীর প্রত্যেকটি মানুষকেই কিছু না কিছু দায়িত্বে নিয়োজিত হতে হয়। প্রত্যেকেই নিজ নিজ কাজে ব্যস্ত থাকে। তবে নির্ধারিত কাজের বাইরেও মানুষ কখনো কখনো এমন কিছু কাজ করে থাকে, যা তাকে আনন্দ পেতে ও অন্যকে আনন্দদানে সহায়তা করে।

উদ্দীপকের সামির এলাকার গৃহস্থ বাড়ি থেকে গরুর দুধ সংগ্রহ করে তা বাজারে বিক্রি করে। দুধ বিক্রির টাকা দিয়েই সে জীবিকা নির্বাহ করে। এলাকায় সে বেশ পরিচিত। গ্রামের ভালো-মন্দ নানান খরব তার কাছ থেকে অন্যরা জানতে পারে। দুধ নিয়ে বাজারে যাওয়ার সময় সে এই কাজটি করে থাকে। এ ধরনের কাজ করার মধ্য দিয়ে সামির অন্যরকম আনন্দ বোধ করে। এমনই এক বিষয় 'চিঠি বিলি' ছড়াতেও পরিলক্ষিত হয়।

'চিঠি বিলি' ছড়াটিতে ব্যাঙ চিঠি বিলি করার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। তার নির্ধারিত কাজ করতে গিয়ে সে বিভিন্ন খবর জানতে পারে এবং সেগুলো অন্যদের জানায়। ভেটকি মাছের নাতনির দেশের বাইরে যাওয়ার কথা, দেশজুড়ে একটানা বৃষ্টি হওয়ার খবরও তার মাধ্যমে জানা যায়। চিঠি বিলি করতে বের হয়ে বিভিন্ন খবর সংগ্রহ করে তা অন্যদের কাছে পৌছে দেওয়ার কাজটি সে স্বেচ্ছায় করে থাকে। এ ধরনের কাজ করলে আনন্দ যেমন পাওয়া যায় তেমনই অন্যদেরও আনন্দ দেওয়া যায়। তাই উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যৌক্তিক ও যথার্থ।

4 দেশের বাইরে কে গেছে? (জ্ঞানমূলক)

Created: 9 months ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago

দেশের বাইরে গেছে ভেটকি মাছের নাতনি।

ব্যাঙ খেয়া নৌকা ধরার জন্য ছুটছে।

ব্যাঙ চিঠি বিলি করতে যাবে। তাকে খেয়া নৌকায় নদী পাড়ি দিতে হবে। নদীমাতৃক বাংলাদেশে যাতায়াতের একটি অন্যতম মাধ্যম হলো এই নৌকা। এদেশের নদীগুলোতে ছোটো-বড়ো অসংখ্য নৌকা ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায়। তবে সাধারণেরা যাতায়াতের জন্য খেয়া নৌকাগুলোই বেশি ব্যবহার করে থাকে। ব্যাঙও খেয়া নৌকাতেই নদীর ওপারে যাবে। তাই সে খেয়া নৌকা ধরার জন্য ছুটছে।

উদ্দীপকের চিঠি, বর্ষার প্রকৃতি প্রভৃতি দিক দিক ‘চিঠি 'চিঠি বিলি' ছড়ার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

প্রকৃতিতে নানান রকমের লীলাচিত্র পরিলক্ষিত হয়। সেখােেন উদ্ভিদ ও প্রাণীর মধ্যে ঘটে যাওয়া কত ধরনের ঘটনাবর্ত চোখে পড়ে। সেই সঙ্গে থাকে ঋতুচক্রের বৈচিত্র্য। এসব দিক বিভিন্ন সময়ে মানুষকে নানাভাবে আকর্ষণ করেছে। কবি-সাহিত্যিকরা বিভিন্নভাবে সেসবের বর্ণনা তুলে ধরেছেন।

উদ্দীপকে প্রাণিকূলের কাছ থেকে প্রাপ্ত চিঠির কথা বলা হয়েছে। সেসব চিঠিতে প্রকৃতির বর্ণনা এসেছে দারুণভাবে। পাশাপাশি বর্ষা ঋতুর কথা বলা হয়েছে। বর্ষার জলধারা, গুরু গুরু দেয়ার ডাক প্রভৃতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বর্ষাকালীন এসব বৈশিষ্ট্য ও প্রাণিকুলের চিঠি আদান-প্রদান প্রভৃতির চিত্র 'চিঠি বিলি' ছড়ায়ও লক্ষণীয়। সেখানে চিংড়ি মাছের বাচ্চা, খলসে মাছ, ভেটকি মাছ, কাতলা মাছের মধ্যে চিঠি আদান-প্রদান হয়েছে। ছড়াটিতে বর্ষা ঋতুর কথাও বলা হয়েছে। বর্ষায় টাপুস-টুপুস করে বৃষ্টি পড়া, ব্যাঙের ছাতা মাথায় বৃষ্টি থেকে আত্মরক্ষা এবং একনাগাড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস প্রভৃতি বর্ষাচিত্রকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। এই বর্ষাচিত্র ও প্রাণিকূলের মধ্যে চিঠি আদান-প্রদানসহ বিভিন্ন দিক উদ্দীপক ও আলোচ্য ছড়ার মধ্যে সাদৃশ্য তৈরি করেছে।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...